ইনএভিটেবল বনাম সাধনা

ঋকপর্ণা ভট্টাচার্য

আমার মা বা আমার কোনও ঈশ্বর নেই। তবুও
নতজানু সর্বদা আকাশ-অরণ্য- ¦¸à¦®à§à¦¦à§à¦°-পাহা à§œ-দৃশ্য-à¦…à¦¦à§ƒà ¶à§à¦¯à§‡à¦° কাছে।

ব্ল্যাক ম্যাজিক কীভাবে, কখন -- সে কথাও, এমনকি
কানে কানেও বলে যায়নি ও পাড়ার বেদেদের মেয়েটি
যে, শঙ্খলাগা (অভি)সাপের উপর বিছিয়ে দিয়েছিলো লালকাপড়।
আনমনে মা তাকে বস্তুবাদী পতাকায় মুড়ে দিয়ে দিয়ে ছিলো
কিছু ভাব- যেমন গরম ভাত, ছেঁড়া শাড়ি, কথামালা ও বর্ণপরিচয়।

লাল হয়ে গিয়েছিলো সন্ধ্যার আকাশ à¦‹à¦•à¦®à¦¨à§à¦¤à§à¦°à§‡à ° সাথে।

সেই পরম্পরা নিয়ে রক্তকরবী হাতে বেঁধে আমিও আজ দোটানায় থাকি।

নাভিকূণ্ড থেকে সুর কেন জাগে, সে কথা যে বোঝে
সে দেখেছে বুক থেকে মেঘ উঠতে উঠতে ত্রিনয়ন ভেসে যায় কখন, অকস্মাৎ।

তবুও আঁচলে কোনও গিঁটবাঁধা নেই।
নদীজল কাছে এলে আজকাল বিলকুল অসহায় ভাসি।
তবুও পোষাকের কোনও গ্রন্থি থাকেনা।

খোলা চুলে, পূর্ণ উন্মুক্ত হয়ে এক আকাশনীল ইনল্যান্ড রেখে দিই
এক গ্লাস নদীর তলায় রাত হলে "ফিরে এসো" লিখে।

জল সব জানে।

জল সব পারে।

এতেও যদি ক্লান্তি তবে---
তবে---
বেশ, তবে পাখি হয়ে যেও।
ধ্রুবতারাদ ের দিকে ধেয়ে যাক সোনালি বাষ্পরাশি
তারপর

স্বাতী নক্ষত্রের সেই আনমনা জল
টলটলে ঝিনুকের আখরে আখরে
যা কৃত্রিম না কালচার্ড নিয়ে যখন হাসাহাসি চলবে
তখন জীবাশ্ম হয়ে থেকে যাবে এইসব পথচলা আমাদের গভীরতর বুকে।

ফেসবুক মন্তব্য